চুয়েটে চতুর্থ পর্যায়ে ভর্তি ২২ এপ্রিল, এখন ৫৫ আসন ফাঁকা

· Prothom Alo

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের চতুর্থ পর্যায়ের ভর্তি কার্যক্রমের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। ২২ এপ্রিল থেকে এই পর্যায়ের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে।

Visit newsbetsport.bond for more information.

এর আগে, গত ২৩ জানুয়ারি ভর্তি পরীক্ষার মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়। ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম পর্যায়ের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত তৃতীয় পর্যায়ের ভর্তি শেষে ৫৫টি আসন ফাঁকা রয়েছে, যা মোট আসনের (৯২০ টি) প্রায় ৫ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার চুয়েটের ভর্তি–সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্ধারিত মেধাক্রমের প্রার্থীদের সনদ যাচাই ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা ২২ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এই ধাপে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে মূল মেধাক্রমে ৩০০১ থেকে ৩৫০০ পর্যন্ত থাকা শিক্ষার্থীদের ডাকা হয়েছে। স্থাপত্য বিভাগের মেধাক্রম ১২৬ থেকে ১৩০ পর্যন্ত ডাকা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, অন্তর্ভুক্ত মেধাক্রমধারী প্রার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্যে লিংকে প্রবেশ করে লগইন করতে হবে। পূর্বে পূরণকৃত অনলাইন চয়েজ ফরম এবং ড্যাশবোর্ডে নির্দেশিত অন্য সব ফরম ডাউনলোডপূর্বক পূরণ করে প্রিন্টেড কপি ভর্তির সময় নিয়ে আসতে হবে। উল্লেখ্য, কোনো প্রার্থী পূর্বে অনলাইন চয়েজ ফরম পূরণ না করে থাকলে ভর্তির দিন তা পূরণের সুযোগ প্রদান করা হবে। নিরীক্ষা বোর্ড কর্তৃক শিক্ষার্থীদের সনদ যাচাইপূর্বক জমাদানের পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে।

চিকিৎসক-প্রকৌশলীর বাইরে: বাংলাদেশের মেধাবীদের জন্য অ্যাকচুয়ারি পেশার অজানা সম্ভাবনা

পরবর্তী দিন ২৩ এপ্রিল সকালে প্রাপ্ত বিভাগ দেখে ভর্তির জন্য নির্ধারিত ফি ১৮,৫০০/- (আঠারো হাজার পাঁচ শ টাকা মাত্র) সোনালী ব্যাংক, চুয়েট শাখায় বেলা ৩টার মধ্যে জমা দিতে হবে। তবে কোনো প্রার্থী স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পাদনের পর একই দিনে কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে নির্ধারিত ফি ব্যাংকে জমা দিতে পারবে।

মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষার মূল সনদ এবং ট্রান্সক্রিপ্ট এর মূল কপি, উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ডের মূল কপি এবং ট্রান্সক্রিপ্ট এর মূল কপির পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত প্রশংসাপত্রের মূল কপি, সদ্য তোলা (অনধিক ৩ মাস) ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, হল পর্যবেক্ষকের স্বাক্ষর–সংবলিত ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র নিরীক্ষা কমিটির নিকট দাখিল করতে হবে। এ ছাড়া সংরক্ষিত আসনে ভর্তির জন্য রাখাইন সম্প্রদায় ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী (উপজাতি) প্রার্থীদের বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা এবং উপজাতীয়তার প্রমাণস্বরূপ জেলা প্রশাসক/স্থানীয় পৌরসভা/জেলা পরিষদ/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এবং উপজাতীয় মোড়লের নিকট থেকে মোট ২টি মূল সার্টিফিকেট দাখিল করতে হবে। এর পাশাপাশি যে কলেজ থেকে পাস করেছে, সেই কলেজের অধ্যক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত উপজাতীয়তার প্রমাণের সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) প্রদান করতে হবে।

স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় প্রত্যেককে স্বীকৃত ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে প্রাপ্ত রক্তের গ্রুপ পরীক্ষার রিপোর্ট সঙ্গে আনতে হবে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় চশমা ব্যবহারকারী শিক্ষার্থীদের চশমা সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা: প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু, যেভাবে করবেন পরীক্ষার্থীরা

চতুর্থ পর্যায়ে ভর্তির পর ভর্তিকৃত প্রার্থীর প্রাপ্ত বিভাগ ও মোট শূন্য আসনসংখ্যা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এবং তদানুযায়ী পরবর্তী ভর্তির জন্য নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা ২৬ এপ্রিল মধ্যে ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইট -এ প্রকাশ করা হবে। আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ওরিয়েন্টশনের দিন পর্যন্ত ভর্তি প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। ভর্তি বাতিলজনিত কোনো আসন শূন্য হলে প্রার্থীর মেধাস্থান ও পছন্দক্রম অনুসারে অটোমাইগ্রেশন চলবে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি ভর্তি পরীক্ষার মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়। ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম পর্যায়ের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত তৃতীয় পর্যায়ের ভর্তি শেষে ৫৫টি আসন ফাঁকা রয়েছে, যা মোট আসনের (৯২০ টি) প্রায় ৫ শতাংশ।

বিশ্বের শীর্ষ ১০ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কোনগুলো

Read full story at source