‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচিত দেশগুলোতে খেলাধুলার ইভেন্টে ক্রীড়া দল পাঠানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইরান। সৌদি আরবে ইরান ও আরব আমিরাতের দুটি ক্লাবের মধ্যকার ম্যাচের আগে গতকাল বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্ত জানায় দেশটি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার প্রায় এক মাস পর এই ঘোষণা এল।
Visit newsbetting.cv for more information.
ইরানের সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ জানিয়েছে, দেশটির ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘যেসব দেশ শত্রুভাবাপন্ন এবং ইরানি অ্যাথলেট ও কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা দিতে সক্ষম নয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেসব দেশে জাতীয় দল বা ক্লাব দলের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হলো।’
Iran has announced a ban on its sports teams traveling to countries it considers 'hostile', in a decision that underscores the increasing overlap between politics and athletics.
— Roya News English (@RoyaNewsEnglish) March 26, 2026
According to local reports, the move follows official instructions aimed at “protecting” Iranian… pic.twitter.com/EU9ebZjkfV
এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস লিগে ‘সৌদি আরবের মাঠে সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি ক্লাবের বিপক্ষে ইরানের ক্লাব ট্রাক্টর এফসির ম্যাচ’ সামনে রেখে মূলত এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ফুটবল ফেডারেশন ও সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলো এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনকে (এএফসি) বিষয়টি অবহিত করতে বাধ্য থাকবে, যাতে ম্যাচগুলো অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়া যায়।’
এক ‘স্মার্ট বলে’ই হয়ে যাবে ভিএআরের কাজআগামী ১১ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২৬ বিশ্বকাপের মাত্র কয়েক মাস আগে এই নাটকীয় সিদ্ধান্ত নিল ইরান। বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়া ইরানের ম্যাচগুলো সূচি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রেই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ‘জি’ গ্রুপ থেকে ইরানের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড, বেলজিয়াম ও মিসর।
নারী এশিয়ান কাপে মাঠের বাইরে বেশি আলোচনা হয়েছে ইরান দলকে নিয়েএদিকে চলতি মাসে নারী এশিয়ান কাপ চলাকালীন জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানানোর পর ইরান নারী ফুটবল দলের ছয় খেলোয়াড় ও এক স্টাফ অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছিলেন। তেহরান তাঁদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে আখ্যা দেয়। পরবর্তী সময়ে তাঁদের মধ্যে পাঁচজন সিদ্ধান্ত বদলে ইরানে ফিরে এলেও বাকি দুজন এখনো অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন।
ফ্রান্সের সেরা হতে আর ২ গোল চাই এমবাপ্পের