বড় ফাঁপা বাজেট,বৈষম্য বাড়বে

· Prothom Alo

প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে ‘বড় ফাঁপা বাজেট’ উল্লেখ করে স্বাগত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)। আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে দলটি বলেছে, এই বাজেটে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো ও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির কোনো আশাবাদ নেই; বরং এটি বৈষম্য আরও বাড়াবে।

সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বিবৃতিতে বলেন, প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট অনেক বড় অঙ্কের; কিন্তু একই সঙ্গে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অসার বা ফাঁপা। ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এই বাজেটে ঋণের সুদ পরিশোধে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা। একই সঙ্গে ঘাটতি মেটাতে নতুন করে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। একদিকে নতুন ঋণনির্ভর বড় বাজেট, অন্যদিকে সুদ পরিশোধই অন্যতম প্রধান ব্যয়ের খাত—এটিই বাজেটের অসারতা প্রমাণ করে।

Visit sportbet.rodeo for more information.

সিপিবির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিদ্যমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাজেটে কোনো সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি কমানোর যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা অর্জনে সরকারের সক্ষমতা নিয়েও আস্থা রাখা যাচ্ছে না।

তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে সিপিবি বলেছে, ২০১০-১১ সালে বাজেট ছিল জিডিপির ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ। এবার টাকার অঙ্কে ৮ গুণ বৃদ্ধি পেলেও বাজেট-জিডিপি অনুপাত দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৬ শতাংশে যা ১৫ বছর আগের তুলনায় কম।

করনীতি প্রসঙ্গে সিপিবি বলেছে, আইএমএফের শর্তের আওতায় করের জাল বিস্তৃত করার যে নীতি নেওয়া হয়েছে, তাতে শ্রমিক, কৃষক, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সুবিধা পাবে কেবল একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠী—বড় ব্যবসায়ী, ব্যাংকমালিক ও আমদানিকারকেরা।

৩ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন ব্যয়ের কতটুকু উৎপাদনশীল খাতে যাবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে দলটি। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি ও সামাজিক নিরাপত্তায় বরাদ্দ বাড়ানোকে ইতিবাচক বললেও বাস্তবায়নের সক্ষমতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে সিপিবি।

Read full story at source