বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছেন নূরজাহান বেগম। পরনে সাদা শাড়ি। মাথায় শুভ্র চুল। চোখে দেখতে পান না অনেক দিন ধরেই। তা-ও হাতে লাঠি নিয়ে শনিবার রাজধানীর শাহজাহানপুরে এসেছিলেন তিনি। উদ্দেশ্য একটাই, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে একটু কথা বলবেন।
Visit betsport24.es for more information.
মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুরের বাসিন্দা নূরজাহান বেগম। তবে এখন শাহজাহানপুরে এক স্বজনের বাসায় থাকেন। স্বামী নেই, সন্তানও বেঁচে নেই। জীবনসায়াহ্নে এসে তিনি অনেকটাই একা। তবে দীর্ঘদিন ধরে মনের কোণে একটি ইচ্ছা জমে ছিল। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করবেন। একটু ছুঁয়ে দেখবেন। কথা বলবেন।
সেই ইচ্ছা পূরণ হয়েছে নূরজাহানের। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন নূরজাহান। তিনি প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করেন।
সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ছিল শনিবার। এদিন দুস্থ মানুষের মধ্যে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণের আয়োজন করে বিএনপি। শাহজাহানপুরে এমনই এক আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানেই প্রধানমন্ত্রীর নাগাল পেলেন নূরজাহান।
চোখে দেখতে না পেলেও নূরজাহান কণ্ঠ শুনে আর হাত ছুঁয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতি অনুভব করেন। কথাও বলেন। এ যেন তাঁর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণের মুহূর্ত ছিল।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বয়সের ভারে নুয়ে পড়া নূরজাহান বেগম সকাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার অপেক্ষায় ছিলেন। কথা বলার সুযোগ পেয়ে তিনি বারবার দোয়া করেন। বয়স, একাকিত্ব আর দৃষ্টিহীনতার কষ্টের মধ্যেও তাঁর মুখে তখন ছিল তৃপ্তির ছাপ।