শেয়ারবাজারে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা কেন বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হন

· Prothom Alo

অধিকাংশ অর্থনীতি ও অর্থব্যবস্থা–সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীর মতো আমিও সব সময় শেয়ারবাজারে গভীর আগ্রহী ছিলাম। একজন পেশাজীবী হিসেবে প্রায় চার দশক ধরে দেশের শেয়ারবাজার গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করে আসছি। এই সময়ে বাজারের উত্থান–পতন, দুটিই প্রত্যক্ষ করেছি। এর মধ্যে ১৯৯৬ ও ২০১০ সালের বেদনাদায়ক দুটি ধস দেখেছি। এ দুটি ঘটনা আমাদের পুঁজিবাজার–ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ দুই সময়ে অতিরিক্ত জল্পনা–কল্পনার পর তীব্র দরপতনে বহু সাধারণ বিনিয়োগকারীর সঞ্চয় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।

Visit esporist.com for more information.

পুঁজিবাজার সম্পর্কে আমার ধারণা একজন পেশাজীবী হিসেবে যেমন তৈরি হয়েছে, তেমনি পেশাগত অভিজ্ঞতা থেকেও এসেছে। ২০০৩ সালে আমি লাফার্জ সুরমা সিমেন্টের বৃহত্তম প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও পরিচালনা করি। তখন দেশের পুঁজিবাজার বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ে ছিল। সে সময় আমি মার্চেন্ট ব্যাংক, বিনিয়োগ ব্যাংক, মিউচুয়াল ফান্ড এবং স্টক ব্রোকারদের সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছি। এসব অভিজ্ঞতা আমাকে বাজারের কার্যপ্রণালি এবং খুচরা বিনিয়োগকারী, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, তালিকাভুক্ত কোম্পানি ও বাজারে আসতে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে গভীর ধারণা দিয়েছে।

শেয়ারবাজার অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে সঞ্চয়কে বিনিয়োগে রূপান্তর, উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠানে অর্থায়ন এবং নাগরিকদের দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ সৃষ্টির মাধ্যমে। কিন্তু অনেক সাধারণ বিনিয়োগকারীর জন্য এই বাজারের অভিজ্ঞতা বারবার হতাশা, অস্থিরতা ও ক্ষতির কারণ হয়েছে।

বাংলাদেশের শেয়ারবাজার ১৯৯৬ ও ২০১০ সালে তীব্র সংকট দেখেছে। যখন শেয়ারের দাম মৌলিক ভিত্তির অনেক ওপরে উঠে যায় এবং পরে ধসে পড়ে। তাতে অসংখ্য ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর সঞ্চয় হারিয়ে যায়। আর এই উত্থান–পতন শুধু বাজারচক্র ছিল না; এই অস্বাভাবিক উত্থান–পতনের সঙ্গে জড়িত ছিল বাজারের কাঠামোগত দুর্বলতা ও তদারকি ব্যর্থতা। সেসব দুর্বলতা এখনো পুরোপুরি কাটেনি।

খুচরা বিনিয়োগকারীনির্ভর বাজার

বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখনো মূলত খুচরা বিনিয়োগকারীনির্ভর। ব্যক্তিশ্রেণির বিনিয়োগকারী যেকোনো সুস্থ বাজারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু যখন কোনো বাজারে পেনশন ফান্ড, বিমা কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড এবং অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর যথেষ্ট উপস্থিতি থাকে না, তখন বাজার গুজব, কারসাজি ও স্বল্পমেয়াদি লেনদেননির্ভর হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে খুচরা বিনিয়োগকারীরা তখনই বাজারে প্রবেশ করেন, যখন শেয়ারের দাম অনেক বেড়ে যায়। অন্যদিকে বেশি তথ্যসমৃদ্ধ অংশগ্রহণকারীরা এই ঊর্ধ্বগতির সময় বেরিয়ে যান এবং দরপতনের সময় আবার কম দামে শেয়ার কিনে বাজারে ফিরে আসেন। এ বৈষম্য বারবার কম জ্ঞানসম্পন্ন অংশগ্রহণকারীদের সম্পদকে বেশি প্রস্তুত বিনিয়োগকারীদের দিকে স্থানান্তর করে।

কেন খুচরা বিনিয়োগকারীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন

দীর্ঘদিনের পর্যবেক্ষণ থেকে মনে হয়েছে, আমাদের বাজারের একটি বৈশিষ্ট্য হলো দলবদ্ধ আচরণ—অন্যরা কিনছে বলে কেনা, অন্যরা বিক্রি করছে বলে শেয়ার বিক্রি করা। কোম্পানির আয়, নগদ প্রবাহ, সুশাসন বা শিল্প খাতের সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করার পরিবর্তে অনেক বিনিয়োগকারী অনানুষ্ঠানিক পরামর্শ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন গুজবের ওপর নির্ভর করে এ কাজ করেন। বাজারের মৌলিক বিশ্লেষণের জন্য দরকার হয় সময়, জ্ঞান ও শৃঙ্খলা। ব্যক্তিশ্রেণির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর পক্ষে অধিকাংশ সময় সেটি করা সম্ভব হয় না। এ কারণে বিশ্বের উন্নত বাজারগুলো মিউচুয়াল ফান্ড, পেনশন ব্যবস্থাপক, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত পরামর্শকের মতো পেশাদার মধ্যস্থতাকারীদের ওপর নির্ভর করে। এসব প্রতিষ্ঠান সাধারণ মানুষের সঞ্চয়কে বৈচিত্র্যময় ও পেশাদারভাবে পরিচালিত বিনিয়োগে প্রবাহিত করে।

নিম্নমানের তালিকাভুক্ত কোম্পানির সমস্যা

আমাদের বাজারের দীর্ঘদিনের উদ্বেগ হলো দুর্বল বা নিষ্ক্রিয় তালিকাভুক্ত কোম্পানির উপস্থিতি—এমন প্রতিষ্ঠান, যারা দুর্বল তথ্য প্রকাশ, অনিয়মিত বার্ষিক সাধারণ সভা, দীর্ঘদিন লভ্যাংশ দেয় না, দুর্বল কার্যক্রম বা খুব সামান্য ব্যবসায়িক কার্যক্রম সত্ত্বেও স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত থাকে। যখন এমন কোম্পানিগুলো বছরের পর বছর তালিকাভুক্ত থাকে, তখন তারা জল্পনামূলক লেনদেনের উর্বর ক্ষেত্র হয়ে ওঠে; বিশেষত কম মূলধনি ও কম ফ্রি ফ্লোট শেয়ার যাদের। এসব শেয়ার সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সহজে দাম বাড়ানো যায় এবং সহজে ‘পাম্প অ্যান্ড ডাম্প’ কারসাজির ফাঁদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ফেলা যায়। তাই এসব ক্ষেত্রে স্টক এক্সচেঞ্জের কাজ হলো উৎপাদনশীল প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা। আর খোলস কোম্পানিকে টিকিয়ে না রাখা, যেগুলো বিনিয়োগকারী বা অর্থনীতির কোনো কাজে আসে না।

সমষ্টিগত বিনিয়োগে আস্থা পুনর্গঠন

বাংলাদেশের মিউচুয়াল ফান্ড খাতের অতীত অভিজ্ঞতা মিশ্র। অতীতে এ খাতের সুশাসনের ঘাটতি জন–আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তবে নতুন ও তুলনামূলক ভালোভাবে পরিচালিত কিছু সম্পদ ব্যবস্থাপক এখন বেশি পেশাদারি, উন্নত কমপ্লায়েন্স এবং ভালো তথ্য প্রকাশের উদাহরণ দেখাচ্ছেন। এটি আশাব্যঞ্জক। একটি প্রাণবন্ত মিউচুয়াল ফান্ড শিল্প সাধারণ সঞ্চয়কারীদের বৈচিত্র্যময় পোর্টফোলিওতে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে বেপরোয়া জল্পনা কমাতে পারে। প্রতিবেশী ভারতে সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান (এসআইপি) ও মিউচুয়াল ফান্ড দীর্ঘ মেয়াদে নিয়ন্ত্রিত খুচরা অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়তা করেছে। বাংলাদেশও একই পথে এগোতে পারে। এটি তখনই কার্যকর হবে, যখন বাজারের স্বচ্ছতা ও সুশাসন আপসহীনভাবে নিশ্চিত করা হবে।

কী করা উচিত

১. তালিকাভুক্ত কোম্পানির মানোন্নয়ন: যেসব কোম্পানি দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম করছে, দুর্বল কার্যক্রম পরিচালনা করছে, নিম্নমানের তথ্য প্রকাশ করছে, বার্ষিক সাধারণ সভা করছে না অথবা শেয়ারধারীদের বছরের পর বছর কোনো রিটার্ন দিতে ব্যর্থ হচ্ছে, তাদের বিষয়ে ব্যাপক পর্যালোচনা করা উচিত। যেসব প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্তির মূল উদ্দেশ্য পূরণ করে না, তাদের পুনর্গঠন, একীভূতকরণ, পৃথক শ্রেণিতে স্থানান্তর অথবা ন্যায্য রূপান্তরকাল শেষে বাজার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে। এ কাজ করতে হবে স্টক এক্সচেঞ্জকে।

২. নজরদারি, আইন প্রয়োগ ও ব্রোকারেজ স্বচ্ছতা জোরদার করা: কম লেনদেন হওয়া, দুর্বল মৌলিক ভিত্তির শেয়ারে অস্বাভাবিক লেনদেন দ্রুত শনাক্ত করতে আধুনিক নজরদারিব্যবস্থা দরকার। কারসাজির বিরুদ্ধে দৃশ্যমান জরিমানা, অবৈধ মুনাফা ফেরত, লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা এবং প্রয়োজনে মামলা হওয়া উচিত। আইন প্রয়োগ এত দ্রুত হতে হবে, যাতে অপরাধীরা নিরুৎসাহিত হয়। একই সঙ্গে ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে উচ্চমানের স্বচ্ছতা ও গ্রাহক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। ব্রোকারেজ হাউসের বিরুদ্ধে বিনিয়োগকারীদের সাধারণ যেসব অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়, সেগুলো দূর করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিনিয়োগকারীদের কাছে আরও বেশি আস্থাশীল হয়ে উঠতে হবে। নিজেদের ব্যবসার স্বার্থেই তাদের এ কাজ করা জরুরি। বিনিয়োগকারীকে সাময়িকভাবে ঠকিয়ে মুনাফা নয়, ব্রোকারেজ হাউসগুলোকে ব্যবসা করতে হবে বিনিয়োগকারীর আস্থা অর্জন ও তাদের ধরে রেখে বাজারের গভীরতা বৃদ্ধির মাধ্যমে। কারণ, বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণ যত বাড়বে এবং স্থায়ী হবে, ব্রোকারেজ হাউসগুলোর ব্যবসাও তত বাড়বে।

৩. মিউচুয়াল ফান্ড খাতে পূর্ণ স্বচ্ছতা: মিউচুয়াল ফান্ডগুলো বিনিয়োগকারীর অর্থে পরিচালিত হয়। তাই প্রতিটি মিউচুয়াল ফান্ডের উচিত মাসিক পারফরম্যান্স, পোর্টফোলিও বণ্টন, ফি, ঐতিহাসিক রিটার্ন, বেঞ্চমার্ক তুলনা এবং প্রকৃত সম্পদমূল্য বা এনএভি নিয়মিতভাবে ওয়েবসাইট ও এক্সচেঞ্জে প্রকাশ করা। এ ক্ষেত্রে মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর স্বচ্ছতা যত বেশি বাড়বে, এই খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থাও তত বাড়বে। এ ছাড়া এই খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে স্বচ্ছ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে তাদের বিনিয়োগসংক্রান্ত সব তথ্য প্রকাশ জরুরি। এতে বিনিয়োগকারীরা সহজে বুঝতে পারবেন, কারা পেশাদারির সঙ্গে তহবিলের ভালো ব্যবস্থাপনা করছেন।

৪. প্রাতিষ্ঠানিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি: পেনশন ফান্ড, বিমা কোম্পানি ও দীর্ঘমেয়াদি দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্বশীলভাবে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করার নীতি বাজারকে স্থিতিশীল করতে এবং সঠিক মূল্য নির্ধারণে সহায়তা করতে পারে। প্রাতিষ্ঠানিক অংশগ্রহণ যত বাড়বে, বাজারের স্থিতিশীলতাও তত বেশি নিশ্চিত হবে।

৫. বিনিয়োগকারীর শিক্ষা: ব্যক্তিশ্রেণির বিনিয়োগকারীদের জন্য সহজ ও ব্যবহারিক শিক্ষাও বাড়ানো জরুরি, যাতে তাঁরা বিনিয়োগে বৈচিত্র্য আনতে পারেন, শেয়ারের মূল্যায়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ঋণনির্ভর বিনিয়োগ এড়ানো, কারসাজি চেনা এবং বিনিয়োগ ও জল্পনার পার্থক্য বুঝতে পারেন। একটি সচেতন বিনিয়োগকারী গোষ্ঠী একটি সুস্থ ও স্থিতিশীল বাজারের জন্য অপরিহার্য।

৬. নির্ভরযোগ্য শেয়ার বিশ্লেষণ প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা: বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা উচিত, যেখানে সহজে কোম্পানির মৌলিক তথ্য, আর্থিক অনুপাত, লভ্যাংশের ইতিহাস, আয়ের প্রবণতা, সুশাসনসংক্রান্ত তথ্য ও খাতভিত্তিক তুলনামূলক উপাত্ত একসঙ্গে পাওয়া যাবে। এ ধরনের প্ল্যাটফর্মে স্বাধীন গবেষণা সরঞ্জাম এবং স্বচ্ছ পদ্ধতি ও নিয়মিত হালনাগাদের ভিত্তিতে ক্রয়, ধরে রাখা বা বিক্রির মতো মডেলভিত্তিক সুপারিশও থাকতে পারে। এতে ব্যক্তিশ্রেণির বিনিয়োগকারীরা আরও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন, গুজব ও টিপসের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং বাজারে গবেষণানির্ভর বিনিয়োগ সংস্কৃতি গড়ে উঠবে।

৭. বিনিয়োগের নিরাপত্তা: শেয়ারবাজারে ঝুঁকি থাকবেই। নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের চেষ্টা হতে হবে সেই ঝুঁকিকে যতটা সম্ভব কমিয়ে আনা। কাঠামোগত ও নিয়ন্ত্রণমূলক দুর্বলতার কারণে যেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকির মধ্যে না পড়েন, সেটি নিশ্চিত করাও জরুরি। বিনিয়োগ মানে বিশ্লেষণ, শৃঙ্খলা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রত্যাশার ভিত্তিতে মূলধন বরাদ্দ করা। অনেক পরিবারের জন্য বাজারে ক্ষতি শুধু পর্দার সংখ্যার ক্ষতি নয়; এটি বহু বছরের কষ্টার্জিত সঞ্চয়ের ক্ষতি। বাংলাদেশের নাগরিকেরা ন্যায্যতা, স্বচ্ছতা ও আস্থার ভিত্তিতে গড়া একটি বাজার পাওয়ার অধিকার রাখেন। আমরা আশা করি না, গুজব বা জল্পনা–কল্পনার ভিত্তিতে বাজারে আরেকটি বড় উত্থান ঘটুক; বরং আমাদের দরকার এমন একটি বিশ্বাসযোগ্য পুঁজিবাজার, যেখানে ভালো কোম্পানি অর্থ সংগ্রহে অনেক বেশি আগ্রহী হবে। শৃঙ্খলাবদ্ধ বিনিয়োগকারী যুক্তিসংগত মুনাফা পাবেন এবং নিয়মের ধারাবাহিক প্রয়োগের মাধ্যমে সব শ্রেণির আস্থা তৈরি হবে বাজারের ওপর।

Read full story at source