কিছু অভ্যাস আছে, যেসব আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ; তবে সময়ের সঙ্গে সেসব মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। আর তা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে স্থায়ী ছাপ ফেলতে পারে। কী সেসব অভ্যাস?
Visit rouesnews.click for more information.
১. শক্তির ব্যায়াম না করা
শুধু হাঁটাহাঁটি বা কার্ডিওই যথেষ্ট নয়। স্ট্রেংন্থ ট্রেনিং (ওজন বা মাংসপেশি শক্ত করে, এমন ব্যায়াম) না করলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পেশি দ্রুত দুর্বল হয়। শরীর ভেঙে পড়ে। জিমে না গিয়ে নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম হয়, এ রকম ঘরের কাজও করতে পারেন। ভারী জিনিস ওঠানামা করা, ঘর মোছা, কাপড় ধোয়া ইত্যাদি।
২. স্ক্রিন টাইম
অধিক স্ক্রিন টাইম চোখে চাপ দেয়, ঘুমের মান খারাপ করে, মনোযোগ কমায় ও মানসিক চাপ বাড়াতে পারে। স্ক্রিন টাইম বাদ দেওয়া মোটেও বাস্তবসম্মত নয়।
পড়াশোনা, অফিস, বিনোদন বা অন্যান্য কাজে স্ক্রিন টাইম দিনে ২-৪ ঘণ্টা হলে ভালো। ৪-৬ ঘণ্টা মানে বিপৎসীমার কাছাকাছি। আর ৬ ঘণ্টার বেশি হলে তা ক্ষতিকর। ৮ ঘণ্টার বেশি হলে মারাত্মক ক্ষতিকর।
হিট স্ট্রোকের আগে শরীর যেসব সংকেত দেয়৩. যেকোনো বিষয়ে কঠোরতা বা অতিরিক্ত জোরাজুরি
সবকিছু নিখুঁতভাবে করার অভ্যাস বা ব্যর্থ হলে সব শেষ বা নিজের ওপর অতিরিক্ত কঠোরতা, যেকোনো কিছু নিয়ে বাড়াবাড়ি—মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বাড়ায়। এত জোরাজুরির কী আছে! জীবনটাকে একটু হালকাভাবে নিন। রিল্যাক্স!
পড়াশোনা বা পেশাগত কাজ; আপনার কাজটা যদি হয় বসে থাকার, তবে নিয়মিত বিরতি নিন৪. দীর্ঘ সময় বসে থাকা
একটানা অনেকক্ষণ বসে থাকা ওজন বাড়ার অন্যতম কারণ। উচ্চ রক্তচাপের জন্য দায়ী। রক্তে সুগার বাড়ায়। পেশি দুর্বল করে। পড়াশোনা বা পেশাগত কাজ; আপনার কাজটা যদি হয় বসে থাকার, তবে নিয়মিত বিরতি নিন। হাঁটাহাঁটি আর স্ট্রেচিং করুন।
গরমে লেবুপানি কেন এত উপকারী অস্থিতিশীল ঘুমের রুটিন মনোযোগ কমায়৫. অনিয়মিত ঘুম
অস্থিতিশীল ঘুমের রুটিন মনোযোগ কমায়। ঘুম কম হলে মেজাজ ধরে রাখা কঠিন হয়। ক্লান্ত লাগে। স্বাস্থ্য ভালো রাখতে নিয়মিত ঘুম সাহায্য করে।
সূত্র: ভেরি ওয়েল মাইন্ড
কখন গোসল করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো