সূর্যোদয়ের পর রাজধানীর রমনার বটমূলে শুরু হয়েছে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে সম্মেলক কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের মাধ্যমে শুরু হয়েছে আজকের আয়োজন।
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩–কে বরণ করে নেওয়ার প্রভাতি এই অনুষ্ঠানের এবারের মূল ভাবনা ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’।
Visit moryak.biz for more information.
অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, লালন সাঁই, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অজয় ভট্টাচার্য, আবদুল লতিফ, জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্রের গান দিয়ে। আরও রয়েছে লোকগান।
এবার বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের মূল ভাবনা ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’। রমনার বটমূল ঢাকা, ১৪ এপ্রিল ২০২৬,ছায়ানট থেকে আগেই জানানো হয়েছিল, আজকের আয়োজনে মোট ২২টি গান থাকছে। এর মধ্যে ৮টি সম্মেলক গান, একক কণ্ঠের গান ১৪টি। পাঠ থাকছে দুটি।
ছায়ানটের শিশু বিভাগের শিক্ষার্থীসহ সব বিভাগের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বিশিষ্ট শিল্পী মিলিয়ে প্রায় ২০০ শিল্পী অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন। রমনার বটমূল থেকে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করছে বিটিভি ও দীপ্ত টেলিভিশন এবং প্রথম আলো ও বিডিনিউজ টুয়েন্টি ফোর ডটকমের ওয়েব পোর্টাল। এ ছাড়া ছায়ানটের ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজে অনুষ্ঠানটি সরাসরি দেখা যাচ্ছে। অনুষ্ঠান চলবে প্রায় দুই ঘণ্টা।
রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বাবার কোলে চড়ে এসেছে এক শিশু। পেছনে গানের সুরে নতুন বছর ১৪৩৩-কে বরণ করে নিচ্ছেন ছায়ানটের শিল্পীরা। ১৪ এপ্রিল, ২০২৬দেশের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংস্থা ছায়ানট ১৯৬৭ সাল থেকে রমনার এই বটমূলে পয়লা বৈশাখে বর্ষবরণের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছে। এই অনুষ্ঠানের প্রধান বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে ভয়ের পরিবেশ থেকে বের হয়ে এসে সংগীতের ভেতর দিয়ে বাঙালি জাতিসত্তার পরিচয়কে তুলে ধরা। পয়লা বৈশাখের এই অনুষ্ঠান কালক্রমে দেশের সব ধর্ম, বর্ণের মানুষের কাছে এক অভিন্ন উৎসবে পরিণত হয়েছে।