মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা এবং যুদ্ধের ফলে উদ্ভূত বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে সরকারি ব্যয়ে বড় ধরনের কাটছাঁট করেছে সরকার। এখন থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের সব ধরনের বিদেশ ভ্রমণ এবং গাড়ি ও কম্পিউটার কেনাসহ ১১ বিষয়ে অর্থ খরচে সংযত থাকতে হবে। তাঁদের কিছু খরচ পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। আর কিছু খরচ করতে হবে অনুমোদন সাপেক্ষে।
Visit saltysenoritaaz.com for more information.
আজ রোববার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করেছে। সব সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, করপোরেশন এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পরিপত্রটি কার্যকর হবে।
পরিপত্র অনুযায়ী সরকারি অর্থায়নে সব ধরনের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ আপাতত বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে অব্যয়িত অর্থের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ ব্যয় করা যাবে। তবে সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলো এই নিয়মের আওতামুক্ত থাকবে।
সব ধরনের যানবাহন কেনা খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক খাতেও নতুন করে কোনো ব্যয় করা যাবে না। সরকারি কর্মচারীদের গাড়ি ক্রয়ের জন্য দেওয়া সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম ঋণ সুবিধাও স্থগিত করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি এবং ভ্রমণ ব্যয় সংশোধিত বাজেটে খাতে অবশিষ্ট বরাদ্দের সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ খরচ করা যাবে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত ব্যয় করলে ভবিষ্যতে কোনো বকেয়া দাবি গ্রহণ করা হবে না।
আপ্যায়ন ব্যয় এবং অভ্যন্তরীণ শোভাবর্ধন খাতে অব্যয়িত অর্থের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ ব্যয় করা যাবে। সেমিনার বা সম্মেলন আয়োজনের ক্ষেত্রে বরাদ্দের ৮০ শতাংশ ব্যয়ের অনুমতি থাকলেও সেখানে আপ্যায়ন বাবদ খরচ ৫০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না।
আবাসিক ও অনাবাসিক ভবন এবং স্থাপনা নির্মাণ খাতে অবশিষ্ট অর্থের মাত্র ৫০ শতাংশ ব্যয় করা যাবে। তবে যেসব প্রকল্পের কাজ ইতিমধ্যে ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে, সেগুলো অর্থ বিভাগের বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে করা যাবে। এ ছাড়া পরিচালন বাজেটের আওতায় নতুন করে কোনো ভূমি অধিগ্রহণ করা যাবে না।
