নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় ইজারাবহির্ভূত জায়গা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। হাতেনাতে ধরা হয় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাঁকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
Visit asg-reflektory.pl for more information.
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বড়কালিয়া এলাকায় নবগঙ্গা নদীতে এ অভিযান চালান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শ্রাবণী বিশ্বাস।
অভিযুক্ত ব্যক্তি আজিজুল হক (৫৪) মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার কাজির পাগলা গ্রামের মো. আইজউদ্দীনের ছেলে। তিনি নড়াইলের কালিয়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন কার্যক্রমের কার্যস্থল ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কালিয়া উপজেলায় বৃ-হাচলা নামে এলাকায় নবগঙ্গা নদীতে একটি বালুমহাল রয়েছে, যা সরকারিভাবে ইজারা দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ ছিল যে ইজারা নেওয়া প্রতিষ্ঠান ইতি এন্টারপ্রাইজ ইজারাকৃত মৌজা থেকে বালু উত্তোলন না করে মাঝেমধ্যে অন্য স্থান থেকে বালু উত্তোলন করছিল। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল দুপুরে বড়কালিয়া এলাকায় সহকারী কমিশনার শ্রাবণী বিশ্বাসের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে ইজারাবহির্ভূত স্থান থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের চারটি মেশিন চলতে দেখা যায়। তাৎক্ষণিক ওই মেশিনগুলো বন্ধ করা হয়। সেই সঙ্গে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সাইট পরিদর্শকের দায়িত্বে থাকা আজিজুলকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
সহকারী কমিশনার শ্রাবণী বিশ্বাস বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিন ইজারাবহির্ভূত জায়গা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সত্যতা পাওয়া গেছে। এই সময় সাইট পরিদর্শককে দুই লাখ টাকা জরিমানা করে তাৎক্ষণিক আদায় করা হয়। একই সঙ্গে তাঁরা মুচলেকা দিয়েছে যে আর কখনো ইজারাকৃত জায়গার বাইরে থেকে বালু তুলবে না।
