মার্কিন নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতা জেসি জ্যাকসন মারা গেছেন

· Prothom Alo

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অধিকার আন্দোলেনর প্রভাবশালী নেতা জেসি লুইস জ্যাকসন মারা গেছেন। তাঁর নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও তেজস্বী বক্তব্য ডেমোক্রেটিক পার্টি এবং মার্কিন রাজনীতিকে নতুন রূপ দিয়েছিল। লুইস জ্যাকসনের ছেলে তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর।

Visit truewildgame.online for more information.

জেসি লুইস জ্যাকসন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক আন্দোলনের অন্যতম নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের ঘনিষ্ঠ শিষ্য। স্নায়ুতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর কয়েক মাস ধরে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

লুইস জ্যাকসনের প্রতিষ্ঠিত অলাভজনক সামাজিক ন্যায়বিচার সংগঠন রেইনবো পুশ কোয়ালিশনের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আজ মঙ্গলবার সকালে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারের প্রতি তাঁর অবিচল অঙ্গীকার স্বাধীনতা ও মর্যাদার পক্ষে এক বৈশ্বিক আন্দোলন গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, অবিরাম পরিবর্তনের দূত হিসেবে তিনি নিঃস্ব ও বঞ্চিত মানুষের কণ্ঠকে উচ্চকিত করেছেন। ১৯৮০–এর দশকে তাঁর প্রেসিডেন্ট প্রার্থিতা থেকে শুরু করে লাখো মানুষকে ভোটার হিসেবে নিবন্ধনে উদ্বুদ্ধ করা পর্যন্ত—ইতিহাসে রেখে গেছেন অবিস্মরণীয় ছাপ।

জ্যাকসনের বিষয়ে এক বিশ্লেষক বলেছিলেন, তিনি ছিলেন একজন প্রকৃত মার্কিন মৌলিক ব্যক্তিত্ব। বর্ণভিত্তিক বৈষম্যের আইন ও প্রথার যুগে সাউথ ক্যারোলাইনার গ্রিনভিলে অবিবাহিত এক কিশোরী মায়ের ঘরে তাঁর জন্ম। সেখান থেকে উঠে এসে তিনি হয়ে ওঠেন নাগরিক অধিকার আন্দোলনের এক প্রতীক এবং যুগান্তকারী রাজনীতিক। ১৯৮০–এর দশকে তিনি দুবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আলোড়ন সৃষ্টি করেন।

ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন পাওয়ার জন্য জ্যাকসনের দুবারের প্রচেষ্টা কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিনদের অনুপ্রাণিত করেছিল। একই সঙ্গে তাঁর শ্বেতাঙ্গ ভোটারদের সমর্থন টানার সক্ষমতা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বিস্মিত করেছিল। জাতীয় অঙ্গনে বারাক ওবামা আবির্ভূত হওয়ার বহু আগেই তিনি ছিলেন এক প্রভাবশালী কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিত্ব।

Read full story at source